কিছুতেই থামছে না চট্টগ্রাম লালদিঘি এলাকার পতিতার হাট

শেয়ার করুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

থামছেই না চট্টগ্রাম লালদিঘি এলাকার পতিতার হাট।
চট্টগ্রাম নগরীর প্রশাসনীক কেন্দ্র লালদিঘী এলাকার আশেপাশের আবাসিক হোটেল গুলোতে প্রতিযোগিতামুলক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে পতিতা ও মাদক ব্যবসা।
সন্ধ্যা নামলেই লালদিঘি, কেসিদে রোড, রয়েল রোডে বসে ভাসমান পতিতার হাট।
যানা যায় ব্রাহ্মণ বাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহাজাদাপুরের, মনুর বাড়ির মৃত বাচ্চু মিয়ার পুত্র, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা, হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি মুন্নার মালিকানাধীন হোটেল লালদিঘিতে প্রকাশ্যে সমানতালে চলে নারী আর মাদকের বানিজ্য। যার পাশেই রয়েছে ঐতিহাসিক লালদিঘি জামে মসজিদ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, পুলিশ কমিশনার কার্যালয়সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এ সবিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে ভয়ংকর অসামাজিক কার্যকলাপ।
৫ আগষ্ট আ.লীগ সরকারের পতনের পর
মুন্না পলাতক থাকলেও তার হয়ে অপরাধ সাম্রাজ্য সামলাচ্ছেন তার ছোটভাই শেখ সাহেব।
এদিকে কেসিদে রোডের কলংক হোটেল সৌদিয়া যা দীর্ঘ ৩ যুগের প্রসিদ্ধ এক পতিতালয়, সৌদিয়া হোটেলের পরিচালক মানিকের আছে নগর জুড়ে একাদিক আবাসিক এলাকার বাসাবাড়িতে মিনি পতিতালয়, যেখান থেকে সাপ্লাই হয় নগরীর বিভিন্ন হোটেলে।
লালদীঘির নবগ্রহ মন্দিরের পাশে হোটেল সুপার গেস্ট হাউস নামে রয়েছে আর এক পতিতালয়, যার পরিচালনায় আছেন একসময়ের চট্টগ্রাম শহরের নামকরা নারী ব্যবসায়ী সরাইল শাহাজাদাপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের আহাম্মদ আলীর ছেলে, মানবপাচার মামলার আসামি আল-আমিন ওরফে কানা রাজু।
এবিষয়ে স্হানীয় ব্যবসায়ী ও মসজিদের মুসল্লীদের দাবি প্রশাসনের বার-বার লোক দেখানো অভিযানে নামেমাত্র গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে বেড়িয়ে আরও দিগুণ বেপরোয়া হয়ে উঠে এসব নারী ব্যবসায়ীরা। এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে লালদিঘি এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশ কমিশনার সিএমপি ও সরকারের উচ্চ মহলের সুদৃষ্টি ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।