উখিয়ায় জাল খতিয়ানে রেজিস্ট্রি করতে আসা প্রতারকের রহস্যজনক পলায়ন

শেয়ার করুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় জাল খতিয়ান ব্যবহার করে জমি রেজিস্ট্রি করার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে এসে এক ব্যক্তি আটক হলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক ভাবে উখিয়া উপজেলা ভূমি অফিস থেকে পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভূমি অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিম্মায় থেকে কি ভাবে পালিয়ে গেছে কার ইশারায় আটককৃত ব্যাক্তি পালাতে সক্ষম হয়েছে তা নিয়ে
ব্যাপক রহস্য রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি।

(৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার আটককৃত ব্যাক্তি উখিয়া সাব- রেজিস্ট্রার অফিসে খতিয়ান অনুমোদন করতে গেলে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসাার মোর্শেদ আলমের চোখে ঐ খতিয়ানটি সন্দেহ বলে মনে হয় পরে আটককৃত ব্যক্তি ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের স্টাফকে সাব- রেজিস্ট্রার অফিসার উখিয়া উপজেলা ভূমি অফিস পাঠান,উপজেলা ভূমি অফিসে খতিয়ানটি যাচাই কালে সাবেক এসিল্যান্ড অফিসারের স্বাক্ষর ও খতিয়ান জাল বলে প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে খতিয়ানটিতে স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন তথ্য জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তির নাম ছৈয়দ নুরু হোসেন। তিনি জালিয়াপালং এলাকার হাজী হোসেন আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
যে খতিয়ানটি নিয়ে তিনি রেজিস্ট্রির প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, সেটির নম্বর ২৮৬৬ এবং মৌজা রত্নাপালং। যাচাইয়ে খতিয়ানটির স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে ছৈয়দ নুরু হোসেন দাবি করেন, কক্সবাজারের এক মুন্সি সাইদুর রহমানের মাধ্যমে খতিয়ানটি তৈরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জাল খতিয়ান তৈরির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ঘটনাটি নিয়ে উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও উপজেলা ভূমি অফিসে যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় কি ভাবে সংরক্ষিত এলাকা থেকে আটককৃত ব্যক্তি পালাতে স্বক্ষম হলোএই নিয়ে প্রশ্নের সঠিক কোন জবাব দিতে পারেননি দায়িত্ব প্রাপ্ত উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা, আবু আব্দুল্লা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানাযায়।